Accounting

হিসাববিজ্ঞানে ভাল রেজাল্টে আগ্রহী
এস.এস.সি , এইচ.এস.সি ও অনার্সের হিসাববিজ্ঞান নিয়ে সমস্যা আছে...
দেরী না করে নিচের লিংকে ক্লিক কর

Honours & Masters Result

নিচের লিংকে ক্লিক করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত অনার্স ও মাস্টার্স এর রেজাল্ট পেয়ে যাবে

রাশিফল জানতে চান?

তাহলে এখনি নিচের লিংকে ক্লিক করে আপনার রাশি সম্পর্কে জেনে নিন। ২০১২ সালটি আপনার কেমন যাবে জানতে এখনি ক্লিক করুণ.....

Saturday, June 18, 2011

সাপপাখি

পাখির নাম সাপপাখি। আশ্চর্য বটে! এমন নাম পাখির হয়? ইংরেজি নামেরও নেই হেরফের, 'স্নেকবার্ড' নাম। পানকৌড়ি প্রজাতির এ পাখির লম্বা গলা হুবহু সাপ আকৃতির। শরীরটা যখন জলের তলায় অথবা ঝোপ-জঙ্গল কিংবা কচুরিপানার ভেতর লুকিয়ে রেখে গলাটা সামনে বাড়িয়ে দেয়, দূর থেকে এদের দেখে তখন সাপই মনে হয়। এমনই অদ্ভুত মিল পাখিগুলোর গোলাকৃতির গলার সঙ্গে সাপের। অপর দিকে সাপপাখির শরীর, বর্ণ, আকৃতি পানকৌড়ির মতো। গলাটা কেটে দিলে যে কেউই বলবে এটি পানকৌড়ির মাথা। সাপপাখির ডানার পালকগুলো কুচকুচে কালো। মাথা থেকে গলার শেষপ্রান্ত পর্যন্ত লালচে বাদামি। চোখের বলয়টা সাদা। সাদা বলয় থেকে হলদেটে বর্ণ ঘাড়ে গিয়ে ঠেকেছে। পানকৌড়ির ঠোঁট যেমন বড়শির মতো বাঁকানো, এদেরটা তেমনি সম্পূর্ণ বিপরীত। সোজা সুচালো। টোঁটের বর্ণ হলুদ। তদ্রূপ পায়ের পাতার বর্ণও। পায়ের পাতা অন্যসব জলচর পাখির মতো জোড়া লাগানো। দেখতে হাঁসের পা মনে হয়।

Wednesday, June 15, 2011

৫০০ ধারালো কাঁটা

গায়ে ডোরাকাটা দাগ, প্রায় ৫০০ ধারালো কাঁটা। গায়ে হাত দিলেই যেন কাঁটা ফুটবে। সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার গজারিয়া নদীতে গতকাল মঙ্গলবার এ মাছটি এক জেলের জালে ধরা পড়ে।
স্থানীয় জেলেরা এর আগে এমন মাছ দেখেননি বলে জানান। পরে বিরল প্রজাতির এ মাছটি জেলা মৎস্য অফিসে নিয়ে গেলেও এটি কী মাছ কেউ বলতে পারেননি। জালে ধরা পড়ার সাত ঘণ্টা পরও জীবিত ছিল মাছটি।

নিরামিষ ভোজন

পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল
সাম্মানিক অধ্যাপক, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
নিরামিষ ভোজন স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অন্যতম উপায়, সন্দেহ নেই। এ দেশে নিরামিষ খাওয়ার চল বাড়ছে, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে ৪০ লাখ লোক নিরামিষভোজী। নিরামিষভোজীদের বডি মাস ইনডেস্ক (বিএমআই) কম, কোলেস্টেরল কম, টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও করোনারি হূদরোগের ঝুঁকি কম।

অক্সফোর্ডে কৃতী বাঙালি তরুণী

সমস্ত পৃথিবীটাই সাবিরার কাছে নীরব-নিঝুম। ছোটবেলা থেকেই সাবিরা শুনতে পান না। বলতে পারেন না কথা। মেয়ের পড়ালেখা হবে কি না এই ভেবে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন মা-বাবা। সেই সাবিরাই শেষতক কীভাবে পৌঁছে গেলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ অক্সফোর্ড অবধি? বনে গেলেন অক্সফোর্ডের গবেষক? 

এক্স-রের জানা-অজানা

এক্স-রে কী?
সহজভাবে এক্স-রে হচ্ছে একধরনের কৃত্রিমভাবে তৈরি তেজস্ক্রিয় রশ্মি, যা দিয়ে মানবদেহের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং স্থানভেদে চিকিৎসাও প্রদান করা হয়। এটি রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত। ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিদ ডব্লিউ সি রোয়েন্টজেন এটি আবিষ্কার করেন।
এক্স-রের মাত্রা