ছবি ১:চার্লস রবার্ট ডারউইন (১২ ফেব্রুয়ারী ১৮০৯ -১৯ এপ্রিল ১৮৮২)
পোট্রেট: ডেনিস এপোসিটো
সুত্র:http://th08.deviantart.net/fs71/PRE/i/2010/241/c/c/charles_darwin_wip_by_dennyshopgirl-d2xkg7h.jpg
আসছে ১৯ এপ্রিল চার্লস ডারউইনের মৃত্যুবার্ষিকী। এই মহান প্রকৃতিবিজ্ঞানীর স্মরণে আমার এই লেখাটি নোভা অনলাইনের প্রধান সম্পাদক পিটার টাইসন এর Darwin's predictions অবলম্বনে লেখা:
তাঁর সময়ের তুলনায় চার্লস ডারউইন অনেক এগিয়ে ছিলেন, শুধুমাত্র এই কথাটা বললে তাঁর প্রতি খুব একটা সুবিচার করা হবে না। বিবর্তনবাদের এই জনকের অনেক অনুমানই ১৮৮২ সালে তার মৃত্যুর অনেক বছর পর এবং কোন কোন ক্ষেত্রে সম্প্রতি, প্রমানিত হয়েছে আর বিজ্ঞানীরা তাঁর ধারনাগুলোর স্বপক্ষে খুজে পেয়েছেন পর্যাপ্ত পরিমান সব স্বাক্ষ্যপ্রমান। বর্তমানে প্রাপ্ত সকল প্রমান - যা সুষ্পষ্টভাবে তার প্রস্তাবিত প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন প্রক্রিয়া এবং তাঁর আরো কিছু অনুমানকেই সমর্থন করে - এসেছে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা থেকে, যেমন জীবাশ্মবিদ্যা,ভুতত্ত্ব, জৈবরসায়ন, জীনতত্ত্ব, আনবিক জীববিজ্ঞান এবং অতি সম্প্রতি ইভোলুশনারী ডেভোলপমেন্টাল বায়োলজী বা ‘ইভো ডেভো’। ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী কেনেথ মিলার’এর মতে ‘আমরা কোথা থেকে এসেছি এই প্রশ্নের একটি সাধারন উত্তর দেবার জন্য এতোগুলো ক্ষেত্র থেকে আসা প্রমানগুলো যে একটি সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারছে, এই বিষয়টাইতো অত্যন্ত শক্তিশালী। আর একারনেই বিবর্তন তত্ত্বের স্বপক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমানের পরিমান অনেক বেশী।’