Accounting

হিসাববিজ্ঞানে ভাল রেজাল্টে আগ্রহী
এস.এস.সি , এইচ.এস.সি ও অনার্সের হিসাববিজ্ঞান নিয়ে সমস্যা আছে...
দেরী না করে নিচের লিংকে ক্লিক কর

Honours & Masters Result

নিচের লিংকে ক্লিক করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত অনার্স ও মাস্টার্স এর রেজাল্ট পেয়ে যাবে

রাশিফল জানতে চান?

তাহলে এখনি নিচের লিংকে ক্লিক করে আপনার রাশি সম্পর্কে জেনে নিন। ২০১২ সালটি আপনার কেমন যাবে জানতে এখনি ক্লিক করুণ.....

Showing posts with label আলোকিত জীবন. Show all posts
Showing posts with label আলোকিত জীবন. Show all posts

Sunday, May 20, 2012

এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের প্রথম নারী নিশাত



প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করলেন বাংলাদেশের নিশাত মজুমদার। বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছন এবং বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান।

Saturday, April 28, 2012

ইউনূস হতে যাচ্ছেন ইতিহাসের সপ্তম ভাগ্যবান ব্যক্তি


 
যুক্তরাষ্ট্র সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ডেমোক্রেটিক পার্টির এসিস্ট্যান্ট লিডার সিনেটর ডিক ডারবিন বলেছেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস হতে যাচ্ছেন ইতিহাসের সপ্তম ভাগ্যবান ব্যক্তি- যিনি একইসঙ্গে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন এবং কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল পাচ্ছেন। শিকাগোতে ৩ দিনব্যাপী ‘শান্তিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের দ্বাদশ সম্মেলন’-এ

সন্জীদার হাতে দেশিকোত্তম

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত ব্যক্তিত্ব সন্জীদা খাতুনের হাত� বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত ব্যক্তিত্ব সন্জীদা খাতুনের হাতে দেশিকোত্তম সম্মাননা তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল এম কে নারায়ণন
ছবি: ভাস্কর মুখার্জি

শুক্রবার সকাল সাতটা। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতনের ঐতিহাসিক আম্রকুঞ্জ। সেখানে তখন গুঞ্জিত হচ্ছিল রবীন্দ্রসংগীতের সুরের মূর্ছনা।
এদিন ছিল কবিগুরুর গড়া বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসব। প্রতিবছরের মতো এবারও এই উৎসবের আয়োজন করা হয় আম্রকুঞ্জে। এখানে স্থাপিত একটি স্থায়ী বেদিতে সূচনা হয় এই উৎসবের। এই উৎসবেই এবার

জোহরা সেগাল: ১০০ বছরের তরুণী



এভাবেই ভারতের কিংবদন্তী নৃত্যশিল্পী, থিয়েটার ও সিনেমা জগতের অভিনেত্রীর জোহরা সেগালের জন্মদিনে শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন বিতর্কিত লেখক সালমান রুশদি।

Tuesday, December 20, 2011

কিমের ‘রহস্যময়’ কিছু তথ্য


উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-ইলের আকস্মিক মৃত্যুর খবরে গতকাল স্তম্ভিত হয়ে যায় দেশবাসী। ‘প্রিয় নেতা’র মৃত্যুতে কেঁদেছে উত্তর কোরিয়া, কেঁদেছে মানুষ। ১৭ ডিসেম্বর রেল ভ্রমণের সময় হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। বিশ্ববাসী তাঁকে একরোখা একনায়ক বলে জানলেও, তাঁর মৃত্যুর পর দেখা গেল দেশবাসী তাঁকে কতটা ভালোবাসত। এত সব কিছুর পরও তিনি যেন ‘রহস্যময়’ জীবনযাপন করতেন। তাঁর অনেক তথ্যই অজানা। কিমের জীবনের রহস্যময় এবং উত্তর কোরিয়ার অজানা এমন কিছু তথ্য জানিয়েছে দ্য টেলিগ্রাফ।
—উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় নথি অনুযায়ী কিম ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী বায়েকদু মাউনটেনের একটি গোপন সামরিক ঘাঁটিতে জন্ম নেন। অন্যদিকে সোভিয়েত সরকারের নথি অনুযায়ী, কিম রাশিয়ার ভায়াত্সকোয়ে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আর জন্ম তারিখটা অবশ্য এক বছর আগের, অর্থাত্ ১৯৪১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। উত্তর কোরিয়ায় জাপানের দখলদারির সময় কিমের বাবা রাশিয়ায় আত্মগোপনে ছিলেন।
—ধারণা করা হয়, কিম জং-ইলের উচ্চতা মাত্র ৫ ফুট ২ ইঞ্চি (১৫৭ সেন্টিমিটার)। তবে তিনি নিজের উচ্চতা বেশি দেখাতে জুতার তলায় আলাদা হিল ব্যবহার করতেন, এমনটি চুলের স্টাইলেও পরিবর্তন এনেছিলেন।
—সন্দেহ করা হয় কিম তাঁর ছোট ভাই কিম সু-রাকে খুন করেছেন। ওই সময় কিমের বয়স ছিল মাত্র পাঁচ বছর। তবে ওই সন্দেহ সন্দেহই থেকে গেছে, কখনো প্রমাণিত হয়নি।
—কিম ১৯৬০ সালে কিম ইল-সাং বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। চার বছর পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
—ধারণা করা হয় কিম পাঁচ সন্তান রেখে মারা গেছেন। তার সবচেয়ে ছোট ছেলে কিম জং-উনই তাঁর উত্তরাধিকারী হবেন বলে মনে করা হয়।
—বড় ছেলে কিম জং-নামকে একসময় নিজের উত্তরাধিকারী ভাবতেন কিম। তবে জাল পাসপোর্টে টোকিও সফরকালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর নাম প্রিয়ভাজনের তালিকা থেকে বাদ পড়েন।
—সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় কিমের মা কিম জং সুক মারা যান বলে তাঁর আত্মজীবনীতে উল্লেখ আছে। তবে ধারণা করা হয়, তিনি গুলিতে আহত হয়ে মারা যান।
—কিম জং-ইলের অন্তত ৫০টি নাম আছে। দেশবাসী তাঁকে এসব নামে ডাকত। এর মধ্যে আছে ডিয়ার লিডার (প্রিয় নেতা), সুপ্রিম লিডার (সর্বোচ্চ নেতা), আওয়ার ফাদার (আমাদের বাবা), দ্য জেনারেল, জেনারেলিসিমো অন্যতম।
—কিম সব সময়ই ট্রেনে রাষ্ট্রের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ভ্রমণ করতেন। ধারণা করা হয়, তিনি আকাশপথে ভ্রমণে ভয় পেতেন এবং তাঁর বাবাকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন।
—সিনেমা দেখার পোকা ছিলেন কিম জং-ইল। তাঁর সংগ্রহে ২০ হাজারের বেশি সিনেমার ভিডিও ছিল বলে জানা যায়।
—তার প্রিয় চলচ্চিত্র ছিল ‘র্যাম্বো’, ‘ফ্রাইডে দ্য থার্টিনথ’, ‘গজিলা’।
—কিম প্রয়াত হলিউড অভিনেত্রী এলিজাবেথ টেইলরের বিশেষ ভক্ত ছিলেন।
—কিম উত্তর কোরিয়ার চলচ্চিত্র শিল্প তৈরির জন্য ১৯৭৮ সালে দক্ষিণ কোরীয় চলচ্চিত্র পরিচালক শিন সাং-ওক ও তাঁর অভিনেত্রী স্ত্রী চিও ইউন-হিকে অপহরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁরা উত্তর কোরিয়ায় অবস্থানকালে সাতটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ১৯৮৬ সালে তাঁরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
—কিম ১০০ পর্বের দেশাত্মবোধ তথ্যচিত্র নির্মাণের প্রযোজনা করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি ‘অন দ্য আর্ট অব সিনেমা’ নামে একটি বইও লিখেছেন।
—কিম ছয়টি অপেরাও কম্পোজ করেছিলেন। তিনি সংগীতের অনুরাগী ছিলেন।
—হলিউডের ছবি ‘টিম আমেরিকার’ প্রধান খলনায়কের নামকরণ করা হয় কিমের নামে।
—উত্তর কোরিয়ায় তাঁর ১৭টি বাসভবন রয়েছেন। প্রাসাদতুল্য এসব বাড়ির মালিক তিনি নিজেই।
—উত্তর কোরিয়ায় একটি কথা প্রচলিত আছে, কিমের যেদিন যে মুড থাকেন, সেদিনের আবহাওয়াও সে রকম আচরণ করে।
—উত্তর কোরিয়াকে বিশ্বের অন্যতম গোপন রাষ্ট্র হিসেবে মনে করা হয়।
—বিশ্বের অন্যতম বৃহত্ সেনাবাহিনী এখন উত্তর কোরিয়ার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের হিসাবে দেশটিতে প্রায় ১২ লাখ সেনাসদস্য কর্মরত আছেন। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় সেনাসদস্যের সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার।
—উত্তর কোরিয়া ১৯৮০-র দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাজ থেকে পরমাণু কর্মসূচি গ্রহণ করে বলে মনে করা হয়।
—কিম নিজেকে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মনে করলেও উত্তর কোরিয়ার দুই কোটি ৩৯ লাখ মানুষ স্বাধীনভাবে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না।
—উত্তর কোরিয়ায় রাষ্ট্রীয় কোনো ধর্মের স্বীকৃতি নেই।
—উত্তর কোরিয়ার পুরুষের গড় আয়ু ৭৬ বছর এবং নারীদের গড় আয়ু ৮৩ বছর
।
সূত্র: প্রথম আলো.কম

Tuesday, December 6, 2011

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল

মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল (ডিসেম্বর ১৬, ১৯৪৭- এপ্রিল ১৭, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ

নূর মোহাম্মদ শেখ(ফেব্রুয়ারি ২৬, ১৯৩৬- সেপ্টেম্বর ৫, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর

মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর (১৯৪৮- ডিসেম্বর ১৪, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

মুন্সি আব্দুর রউফ (১৯৪৩ - এপ্রিল ৮, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন

মোহাম্মদ রুহুল আমিন (১৯৩৫ - ডিসেম্বর ১০, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

Saturday, December 3, 2011

জয়তু সুবর্ণা আপা!


নিজের বাড়ির উঠানে হাতপাখা ও টুপিতে নকশার কাজে তদারক করছেন পীরগাছার ইটাকুমারী গ্রামের সুবর্ণা আ�
নিজের বাড়ির উঠানে হাতপাখা ও টুপিতে নকশার কাজে তদারক করছেন পীরগাছার ইটাকুমারী গ্রামের সুবর্ণা আক্তার
ছবি: প্রথম আলো
‘দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ’ এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করছেন তাঁরা। তাঁদের হারতে হয়নি, তাঁরা জিতে চলেছেন। স্বাবলম্বী হয়েছেন, অন্যদের এগিয়ে নিচ্ছেন সেই পথে।
বলা হচ্ছে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী গ্রামের নারীদের কথা। ‘গ্রামীণ মহিলা উন্নয়ন সমিতি’ নামে সমবায় সমিতি গড়ে বদলে ফেলেছেন নিজেদের ভাগ্য। আর এই সমিতি গড়তে গ্রামের নারীদের এক সুতোয় গেঁথেছেন একজন—সুবর্ণা আক্তার। সদস্যদের কাছে তিনি কেবলই ‘সুবর্ণা আপা’।